April 19, 2026, 1:39 pm

মহেশপুরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে মারপিট করে ধর্ষণের অভিযোগ,

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-প্রাইভেট পড়ে রাতে বাড়ি ফেরার সময় ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসময় ঐ ছাত্রীকে মারপিট করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টার দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের পীরগাছার ঝোড়পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হলে বুধবার সকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীা করা হয়েছে। ধর্ষণের পর লম্পট কালু পালিয়ে গেছে। সে ওই এলাকার মৃত সিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। থানা ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে, সোমবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রী নতুন বাজারের স্কুলে প্রাইভেট পড়তে যায়। রাত ৯টার দিকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে কালু তাকে রাস্তা থেকে তুলে পাশের বাগানের মধ্যে নিয়ে যায়। এসময় তাকে মারপিট করে ধর্ষণ করে। প্রতিবেশীরা জানান, লম্পট কালু ইতোপূর্বে এলাকার অনেক মেয়ে বা প্রতিবেশী গৃহবধূদের সাথে বেশ কয়েকবার ধরা পড়েছে। শুধু তাই না জরিমানাও দিয়েছে অনেকবার। এঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কালুকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মেয়েটির ডাক্তারি পরীা সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ আসামিকে আটকের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা